যে কাজ করলে হারাতে পারেন ফেসবুক মনিটাইজেশন তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক, প্রকাশিত: সোমবার, ০৫ মে ২০২৫ , ০২:০৭ ফেসবুকে স্প্যাম ছড়ানো বন্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে মেটা। অতিরিক্ত হ্যাশট্যাগ দিয়ে বা ছবির সঙ্গে সম্পর্কহীন দীর্ঘ ক্যাপশন লিখে অ্যালগরিদমকে বিভ্রান্ত করে আর আয় করা যাবে না। সম্প্রতি এক ঘোষণায় এ তথ্য জানিয়েছে মেটা। মেটা জানিয়েছে, এ ধরনের অপ্রাসঙ্গিক পোস্টগুলোতে আর মনেটাইজেশন সুবিধা থাকবে না। এগুলো শুধুমাত্র ফলোয়ারদের টাইমলাইনে দেখানো হবে। মেটা বলছে, স্প্যামি কনটেন্ট মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে, তাই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। যে ধরনের পোস্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে- -অতিরিক্ত ও অপ্রাসঙ্গিক হ্যাশট্যাগ যুক্ত পোস্ট। -ছবির সঙ্গে সম্পর্কহীন দীর্ঘ ক্যাপশন। -একই পোস্ট শত শত ফেক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে ভাইরাল করার চেষ্টা। -সাজানো বা মিথ্যা মন্তব্য। ফেসবুক রিলসে বেশি ভিউ পেতে যা করবেন এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত অ্যাকাউন্টগুলোর মনেটাইজেশন সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হবে। গুরুতর ক্ষেত্রে পোস্ট ও অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা হতে পারে। নতুন ফিচার ও মডারেশন টুল মেটা পরীক্ষামূলকভাবে এমন একটি ফিচার চালু করেছে, যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি রিপোর্ট করতে পারবেন কোন মন্তব্য অপ্রয়োজনীয় বা স্প্যাম বলে মনে হয়েছে। পাশাপাশি পেইজ মালিকদের জন্য এসেছে নতুন মডারেশন টুল। যা ভুয়া অ্যাকাউন্ট বা অন্যের নাম ব্যবহার করে করা মন্তব্যগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে লুকিয়ে ফেলবে। মেটা জানিয়েছে, ভিউ ও আয়ের সংখ্যা কৃত্রিমভাবে বাড়াতে নেওয়া এই ধরনের অনৈতিক কৌশল রুখতেই তাদের এই নতুন পদক্ষেপ। তাদের আশা, এতে ফেসবুকে আসল ও মানসম্পন্ন কনটেন্ট আরও বেশি জায়গা পাবে


 

Comments

Popular Posts

প্রাথমিকে পরীক্ষা পদ্ধতি পুনর্বহাল, বৃত্তি চালুর ঘোষণা  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি প্রদানের কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার (৩ মে) লক্ষ্মীপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন। উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, মন্ত্রণালয়ের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম সাক্ষরতা নিশ্চিত করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিশুরা যেন তাদের মাতৃভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে, পড়তে ও লিখতে পারে এবং একইসঙ্গে গাণিতিক বিষয়েও দক্ষতা অর্জন করতে পারে। শিক্ষকের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, শিক্ষকরা সমাজের ও জাতির জন্য দায়িত্ব পালন করছেন এবং একজন শিক্ষকই শিশুদের জীবনের সঠিক পথ দেখাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেন। প্রধান শিক্ষকদের টিম লিডার হিসেবে বিদ্যালয় পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সভায় জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকারের সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সম্রাট খীসার সঞ্চালনায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পিইডিপি-৪ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সাজ্জাদসহ অন্য শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। উপদেষ্টা আরও বলেন, মন্ত্রণালয় যৌক্তিক দাবিকে স্বীকৃতি দেয় এবং তা বাস্তবায়নে সর্বদা সচেষ্ট থাকে। শূন্যপদ পূরণ এবং অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা থাকলেও ইতোমধ্যে অনেক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মৌলিক শিক্ষার পাশাপাশি বিতর্ক, দেয়ালিকা উৎসব ও চিত্রাঙ্কনের মতো সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এর আগে, উপদেষ্টা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ‘জেলা প্রশাসন গ্রন্থাগার’ পরিদর্শন করেন এবং পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘ভ্রাম্যমাণ বইমেলার’ স্টল ঘুরে দেখেন।