দেশ ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ কালবেলা প্রতিবেদক আপডেট : ০৮ মে ২০২৫, ১১:৫৭ এএম|অনলাইন সংস্করণ অ- অ+ 2.7k Shares facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttoncopy sharing button সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। ছবি : সংগৃহীতX সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। ছবি : সংগৃহীত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ৯ মাস পর দেশ ছাড়লেন ওই সরকারের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। বুধবার দিবাগত রাত ৩টা ৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তিনি দেশ ছাড়েন। বৃহস্পতিবার (০৮ মে) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বশীল একটি সূত্র তার দেশ ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সূত্র জানায়, এদিন রাত ৩টা ৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের টিজি ৩৪০ নম্বর ফ্লাইটে ব্যাংককের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন আবদুল হামিদ। ফ্লাইটে সাবেক এই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তার ঘনিষ্ট কেউ ছিলেন না। তিনি চিকিৎসার উদ্দেশে থাইল্যান্ড গিয়েছেন বলে জানা গেছে। সূত্রটি জানিয়েছে, গত রাত ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান আবদুল হামিদ। সেখানে যাওয়ার পর ইমিগ্রেশনে প্রয়োজনীয় যাচাইবাছাই শেষে দেশ ছাড়ার সবুজ সংকেত পান তিনি। জানা গেছে, আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। গত ১৪ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ সদর থানায় এ মামলাটি করা হয়। মামলার বিবরণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নামও উল্লেখ রয়েছে। উল্লেখ্য, আবদুল হামিদ আওয়ামী লীগের সময় ২০১৩ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।


 

Comments

Popular Posts

প্রাথমিকে পরীক্ষা পদ্ধতি পুনর্বহাল, বৃত্তি চালুর ঘোষণা  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি প্রদানের কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার (৩ মে) লক্ষ্মীপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন। উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, মন্ত্রণালয়ের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম সাক্ষরতা নিশ্চিত করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিশুরা যেন তাদের মাতৃভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে, পড়তে ও লিখতে পারে এবং একইসঙ্গে গাণিতিক বিষয়েও দক্ষতা অর্জন করতে পারে। শিক্ষকের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, শিক্ষকরা সমাজের ও জাতির জন্য দায়িত্ব পালন করছেন এবং একজন শিক্ষকই শিশুদের জীবনের সঠিক পথ দেখাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেন। প্রধান শিক্ষকদের টিম লিডার হিসেবে বিদ্যালয় পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সভায় জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকারের সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সম্রাট খীসার সঞ্চালনায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পিইডিপি-৪ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সাজ্জাদসহ অন্য শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। উপদেষ্টা আরও বলেন, মন্ত্রণালয় যৌক্তিক দাবিকে স্বীকৃতি দেয় এবং তা বাস্তবায়নে সর্বদা সচেষ্ট থাকে। শূন্যপদ পূরণ এবং অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা থাকলেও ইতোমধ্যে অনেক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মৌলিক শিক্ষার পাশাপাশি বিতর্ক, দেয়ালিকা উৎসব ও চিত্রাঙ্কনের মতো সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এর আগে, উপদেষ্টা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ‘জেলা প্রশাসন গ্রন্থাগার’ পরিদর্শন করেন এবং পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘ভ্রাম্যমাণ বইমেলার’ স্টল ঘুরে দেখেন।